Templates by BIGtheme NET

ধামরাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে হামলা, আহত ৬

মো: ওয়াসিম হোসেন, স্টাফ রি‌পোর্টার:
ঢাকা জেলার ধামরাই উপ‌জেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ও আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন ধলুর ছেলে বিপুল হোসেন।
রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সুত্রাপুর এলাকার ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ধলুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলো, মৃত ছমির আলীর ছেলে মােঃ বজলু (৪৫), মৃত লতিফ মিয়ার ছেলে কহিনূর ইসলাম (৪২), ছমির আলীর ছেলে সুজন আলী (৩০), মোঃ আলীর ছেলে আলামিন (২৫), মৃত পিয়ার আলীর ছেলে বাবুল হােসেন (৫০), বাবুল হোসেনের ছেলে রাকিব হোসেন (২২), পিয়ার আলীর ছেলে রজ্জব আলী (৫৫) সহ আরো কয়েক জন।
হামলায় আহতরা হলো, বালিয়া ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ধলু, দেলোয়ার হোসেনের ছেলে বিপুল হোসেন (২৫), সোহেল হোসেন (৩২), আব্দুল হালিম (৬৫), শহিদা আক্তার (৪৫), সেলিনা আক্তার (৩৪) আহত সবাইকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাত ৯টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে লাঠি সোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা অতর্কিত ভাবে এসে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাঙ্গচুর ও মারধর করে। এ সময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ধলুকে হত্যার উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত বজলু লোহার রড দিয়ে তার মাথায় বারি দিলে দেলোয়ার হোসেন সেখান থেকে সরে গিয়ে প্রাণে বাঁচে। পরে দেলোয়ার হোসেনকে এলোপাথাড়ি মারধর করলে তার ডাক চিৎকারে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও মারধর করে নিলা ফুলা জখম করে।দেলোয়ার হোসেনের হাতে, পায়ে, শরীরে নিলাফুলা জখম হয়। এ সময় শহিদা আক্তার ও সেলিনা আক্তার নামে দুই নারীকে মারধর ও টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। এ নিয়ে এলাকায় বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলোয়ার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বজলুল কোহিনুর, আনোয়ার এর গ্রুপের লোকজন আমার বাড়ির ভিতরে অন্যায় ভাবে প্রবেশ করে আমার দুই ছেলে আমার ভাই, ভাতিজা সহ আমাকে মারধর শুরু করে। আমার গরু বিক্রির দুই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঘরবাড়ি ভাঙচুর শুরু করে। আমি আইনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহম্মদ হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। মজিবুর এলাকার কিছু বিএনপির লোকদের নিয়ে এই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে। চেষ্টা করছি এই সমস্যা সমাধানের জন্য।
ধামরাই থানার উপ পরিদর্শক মনির হোসেন জানায়, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*