সরকারি কর্মকর্তাদের এসিআর আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: বাতিল হচ্ছে বসনির্ভর মূল্যায়ন

প্রতি‌দিন বাংলা‌দেশ, ঢাকা:
সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর বাৎসরিক গোপন প্রতিবেদনে (অ্যানুয়াল কনফিডেনশিয়াল রিপোর্ট বা এসিআর) আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
বর্তমানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে এসিআরের আকাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পেতে অধস্তনদের চিন্তার অন্ত থাকে না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা বস যা বলেন এসিআরে তাই চূড়ান্ত। গোপনীয় প্রতিবেদনে বস কী মূল্যায়ন করলেন জানারও উপায় নেই।
এর ঠিক উলটো বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসিআরের বদলে অ্যানুয়েল পারফরম্যান্স অ্যাপ্রাইজাল রিপোর্ট (এপিএআর বা বাৎসরিক কর্ম মূল্যায়ন প্রতিবেদন) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারণা নিয়ে তৈরি হতে যাওয়া এপিএআরের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
গ্রেড ৯ থেকে গ্রেড ২ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এর আওতায় আসবেন। শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, আমাদের লক্ষ্য সঠিক জায়গায় সঠিক অফিসারকে পদায়ন করা। এর জন্য প্রত্যেক অফিসারের কর্মভিত্তিক প্রোফাইল থাকা প্রয়োজন। এটা না থাকায় বর্তমানে শুনে শুনে অফিসার বাছাই করতে হয়। কিন্তু এপিএআর চালু হলে সংশ্লিষ্ট অফিসারের প্রোফাইলের ভিত্তিতে বাছাই করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এটা অনেক বড় কাজ হচ্ছে। যা সরকারি কাজের সেবায় বিশাল পরিবর্তন আনবে বলে আমার বিশ্বাস।
বর্তমান এসিআরের পুরোটাই ব্যক্তিগত ও পেশাগত বৈশিষ্ট্যের মূল্যায়ন হয়। যেমন, ব্যক্তিত্ব, সময়ানুবর্তিতা, সততার ইত্যাদির মতো ২৫টি মানদণ্ড আছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বছর ব্যাপী কী কাজ করলেন, করলে ঠিক মতো করেছেন কিনা সেটার মূল্যায়ন নেই। অর্থাৎ বিদ্যমান এসিআরের ১০০ নম্বরের পুরোটাই বৈশিষ্ট্য নির্ভর। কিন্তু এপিএআরে কর্মচারীর ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের নম্বর থাকে ৪০। আর বছর ব্যাপী কাজের মূল্যায়নের নাম্বার হবে ৬০। বর্তমানে এসিআরের সময় কাল জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর। এপিআরএতে সময় কাল হবে অর্থ বছর কেন্দ্রিক অর্থাৎ জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত। কারণ এপিএআরকে অ্যানুয়েল পারফরম্যান্স অ্যাগ্রিমেন্টের (এপিএ) সঙ্গে যুক্ত করে মূল্যায়ন করা হবে। প্রত্যেক কর্মচারীর নিজস্ব অর্জন ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্জন মিলিয়ে এপিএআর নির্ধারণ হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ব্রিটিশ পাকিস্তানি ধারার বর্তমান এসিআর পদ্ধতিতে কিছু বিষয় যোগ করা হলেও মৌলিক পরিবর্তন ছিল না। এবার সেই জায়গাতে হাত দেওয়া হয়েছে।
এপিএআর খসড়া প্রস্তুতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটা চালু হলে এসিআর ভীতি আর থাকবে না। কাজের ভিত্তিতে সরকারি চাকুরেরা নিজেরাই নিজেদের মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে করে দেশব্যাপী সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহি বাড়বে।
বর্তমানে এসিআর পদ্ধতি নিয়ে অনেক অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, বসের পছন্দের না হলে অনেকে এসিআর ফাইল আটকে রাখেন। আবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফাইল জমা দিলে সেটা হারিয়ে যায়। কোথাও এসিআরের ফাইল গায়েব করে ফেলা হয়। অন্য দিকে এপিএআর চালু হলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই অনলাইনে অধস্তনদের বিষয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। যদি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সেটা না করেন তাহলে সেই ফাইল স্বয়ংক্রিয় ভাবে উপরের কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। এতে যিনি মূল্যায়ন করেননি তার এপিআর রিপোর্টে নেতিবাচক মার্কিং হবে।
এপিএআর চালু হলে সংশ্লিষ্টরা তাদের বার্ষিক কর্মমূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে পারবেন। শুধু নিজেরাই নন, তাদের ভালো কাজের স্বীকৃতি জানানো হবে পরিববারকেও। পরিবার থেকে ভালো সহযোগিতা না পেলে কেউই কর্মক্ষেত্রে ভালো অবদান রাখতে পারেন না। তাই যেসব সরকারি চাকুরে কর্মক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেখাবেন তাদের স্বামী বা স্ত্রীদের সেই চাকুরের কর্মস্থল থেকে অভিনন্দন জানিয়ে উপহার দেওয়ার রীতি চালুর চিন্তাও রয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, এপিএআর হবে সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য একটি করে অনলাইন অ্যাকাউন্ট হবে। এতে চাকরিতে ঢোকার প্রথম দিন থেকে শেষ দিনের প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। অ্যাকাউন্টে কর্মচারীরর স্বাস্থ্য পরিস্থিতির আপডেট থাকবে, কে কতবার বিদেশ সফরে গেছেন, কোন কোন দেশে গেছেন এসব তথ্য থাকবে। পরবর্তী সময়ে ওইসব দেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য সহজেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খুঁজে পাবে সরকার। একইসঙ্গে তথ্য গোপন ও অন্যদের বঞ্চিত করে বারবার বিদেশ সফরে যেতে পারবে না কেউ।
প্রত্যেক কর্মচারীর এপিএআরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফটওয়্যারের সংযোগ থাকবে। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বা গ্রেডভিত্তিক কর্মচারীদের বিভিন্ন কমন তথ্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন পাবে সরকার। উদাহরণ দিয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, সরকার নতুন একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ক পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কতজন কর্মকর্তা আছেন তার তথ্য বর্তমান পদ্ধতিতে জানা সম্ভব নয়। এপিএআর চালু হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেটা মুহূর্তেই জানা সম্ভব হবে। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যে ওজন, ইসিজি, আরবিএস, রক্তচাপ, লিপিড প্রোপাইল, ডোপটেস্টের ফলাফলসহ সব থাকবে এখানে। একই সঙ্গে কোনো কর্মচারীর জটিল রোগের চিকিৎসা প্রয়োজন হলে সেটাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফটওয়্যার থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে বার্তা যাবে।
প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, একজন চাকুরে প্রতি বছর কী কী কাজ করবেন তার একটি টার্গেট ঠিক করবেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ১৫ দিনের মধ্যে বা ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে এ পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। প্রত্যেককে অন্তত ১২টি কাজের চুক্তি করতে হবে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে। প্রতিটি কাজের নাম্বার হবে ২ থেকে ৮। বড় কাজের মান অনুযায়ী নাম্বার কম বেশি হবে। প্রত্যেকটি কাজের লক্ষ্যমাত্রা, প্রমাণক থাকতে হবে। প্রতিজন তার সক্ষমতার ৬০ ভাগ কাজ করার চুক্তি বছরের প্রথমে করবেন। বাকি ৪০ ভাগ থাকবে কমন কিছু কাজের জন্য। একই সঙ্গে চুক্তি হয়ে যাওয়ার পর নতুন কাজ আসলে যাতে সংশ্লিষ্টদের কাজে বোঝা বেশি না হয়ে যায় তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ বলে জানা গেছে। বছর শেষে চুক্তিবদ্ধ কাজের সর্বশেষ তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তা অ্যাকাউন্টে এন্ট্রি করবেন। উপস্থাপিত প্রমাণপত্র অনুযায়ী তা যাছাই করবেন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তারা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, বর্তমানে এসিআর মানেই আতঙ্ক। নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা যা বলেন তাই শেষ কথা। অন্যদিকে কাগুজে যেসব নিয়ম আছে তাতেও কাজের ভিত্তিতে মূল্যায়ন নেই। এটা পরিবর্তন হওয়া জরুরি। এপিএআর চালু হলে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের বর্তমান চেহারা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে একটি কাজ কতদিনে হবে তা কাগজে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে হয় না। কিন্তু এপিএআরে নির্ধারিত সময়ে কাজ না হলে সংশ্লিষ্ট অফিসারের নেতিবাচক মূল্যায়ন হবে। তাই প্রকল্পের কাজসহ সব ধরনের কাজ বাস্তবসম্মত সময় অনুযায়ী করতে বাধ্য হবেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে কোনো দপ্তরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জনবল আছে। আবার কোনো দপ্তরে প্রয়োজনে চেয়েও জনবল পাওয়া যায় না। এপিএআর চালু হলে সব দপ্তর সম্পর্কে প্রতিনিয়ত তথ্য পাবে সরকার। কোথায় জনবল বেশি, কোথায় কম তা ধরা পড়বে। তাই সহজে এ বিষয়ে সমন্বয় করা যাবে। একইসঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ হয় সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এপিএআরের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা থাকবে। এর বাইরে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর সংস্থাগুলো তাদের কর্মচারীদের জন্য আলাদা এপিএআর অধিশাখায় এ সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা রাখবে। নতুন পদ্ধতিতে কর্মচারীর, পিতা, মাতা, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন নাম্বার, পদবি, গ্রেড, বেতন, কর্মস্থল, ক্যাডারের নাম, স্বামী স্ত্রী, সন্তানদের নাম ও মোবাইল, ইমেইল নাম্বার থাকবে। কারও নিজ পরিবারের কেউ না থাকলে নিকটাত্মীয়র তথ্য বাধ্যতা মূলক ভাবে দিতে হবে, এছাড়া চাকরিতে যোগদানের তারিখসহ খুঁটিনাটি সব তথ্য থাকবে এপিএআরে।
এপিএআরে খুচরা কাজ নয় :
কোনো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে গেলে বিভন্ন সময় ছোটখাটো কাজের দায়িত্ব পালন করতে হয়। যেমন, অনিয়মিত সভা, সেমিনার, কর্মশালা বা চিঠির খসড়া প্রণয়ন, অনিয়মিত প্রটোকল এসব বিষয় এপিএআরেতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। সেইসঙ্গে একই কাজ একাধিকবার বা ভিন্ন নাম ও আঙ্গিকে কর্ম পরিকল্পনায় ঢুকানো যাবে না।
মূল্যায়নে দ্বিমত :
সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর এপিএআর স্ব-সমূল্যায়ন করে মূল্যায়নকারীর কাছে অনলাইনে জমা দেবেন। মূল্যায়নকারী দ্বিমত করলে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা চাইতে পারেন। এরপরও সন্তুষ্ট না হলে উভয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসে যৌক্তিক প্রমাণ সাপেক্ষে নাম্বার পরিবর্তন করা যাবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিমাণ কম নাকি লোকবলের তুলনায় বেশি সে বিষয়েও মূল্যায়নকারী মত দেবেন। যা পরবর্তী সময়ে ওই প্রতিষ্ঠানে জনবল বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে কাজে দেবে।
ভালো মন্দের জন্য উদ্যোগ :
এপিএআর পদ্ধতিতে সরাসরি নাম্বার না দিয়ে গ্রেডিং পদ্ধতি প্রবর্তন হচ্ছে। এতে ৯৬-১০০ এ প্লাস। ৮৫-৯৫ এ গ্রেড। ৭৫-৮৪ বি গ্রেড। ৬৬-৭৪ সি গ্রেড এবং ৬৫ বা এর কম নাম্বার আইআর (ইমপ্রুভমেন্ট রিকোয়ার) অর্থাৎ তার উন্নতি প্রয়োজন বলে অভিহিত করা হবে।
উল্লিখিত গ্রেডিংয়ে যারা এ প্লাস ও এ গ্রেড প্রাপ্ত হবেন তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশংসাপত্র থাকবে। ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে তার ছবি প্রকাশ করে তার কাজের প্রশংসা করে উৎসাহ দেওয়া হবে। এছাড়া বিদেশ সফরে যাওয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকারসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য পাঠানো হবে।
অন্যদিকে যারা নিুধাপের গ্রেড পাবেন তাদের জন্য কিছু প্রতিকারের ব্যবস্থা থাকবে। এ ক্ষেত্রে তাদের ত্রুটিপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নজরে আনা হবে। নিজ উদ্যোগে এবং সরকারিভাবে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া, বই-জার্নাল পড়ার পরামর্শ পাবেন তারা। সেইসঙ্গে জ্যেষ্ঠ কোনো কর্মচারীর অধীনে সংযুক্তির ব্যবস্থাও থাকছে। এসব ধাপ সম্পন্ন করে সেগুলোর প্রমাণসহ নিজের এপিএ রিপোর্টে তুলতে হবে।
এ বিষয়ে উদাহরণ দিয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, ধরুন কোনো কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট কিছু বই পড়ার পরামর্শ দেওয়া হলো। তিনি সেই বইগুলো পড়েছেন কিনা তার একটি রিভিউ এপিএআরে যুক্ত করতে হবে। সেইসঙ্গে মৌখিকভাবেও তার মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে।
গুরুত্বপূর্ণ এ উদ্যোগটি বাস্তবায়নের অর্থসংস্থানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ১০ কোটি টাকার প্রাথমিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এপিএআর প্রণয়নের নেতৃত্বে থাকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিপিটি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সহিদউল্যাহ বলেন, এপিএআর চালু হলে মুখ চিনে অফিসার বাছাই করতে হবে না। অফিসারের পরিচয় হবে তার প্রোফাইল। তিনি বলেন, অনেকে আছেন দীর্ঘদিন মাঠ প্রশাসনে ভালো কাজ করেছেন। কিন্তু ঊর্ধ্বতন অফিসাররা না চেনায় মূল্যায়ন হয় না। এপিএআর পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হলে এ ধরনের সমস্যাগুলো কাটবে আশা করি। এ উদ্যোগে প্রাথমিক ভাবে এসিআরের সংস্কার আনা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এটার সঙ্গে পদোন্নতি, পদায়ন, প্রেষণ, প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো যুক্ত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*