Templates by BIGtheme NET

ভক্ত সমর্থকদের প্রতি সাকিব আল হাসানের আহ্বান

Spread the love

প্রাত‌দিন বাংলা‌দেশ, ঢাকা:
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। এর মাঝে থাকছে এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিবকে এ শাস্তি দিয়েছে আইসিসি।
অবশ্য বাংলাদেশের টেস্ট ও টি টোয়েন্টি অধিনায়ক এর দায় মেনে নিয়েছেন।
সাকিব আল হাসান শাস্তি মেনে নিলেও মানতে পারছেন না তার ভক্তরা। তাদের শান্ত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্তা দিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ভক্ত ও সমর্থকদের আহ্বান জানালেন শান্ত থাকার, ধৈর্য ধরার।
জুয়াড়ির প্রস্তাব সংশ্লিষ্টদের না জানানোয় এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বাইরে থাকতে হবে সাকিবকে। আইসিসি নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। এর পর দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অর্থটা আরও ভালোভাবে অনুভব করতে পারছেন সাকিব।
আমার এবং আমার পরিবারের খুব কঠিন সময়ে আপনাদের নিঃশর্ত সমর্থন ও ভালোবাসা আমাকে স্পর্শ করেছে। নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অর্থ কি অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে আমি এটা গত কয়েক দিনে বেশি বুঝতে পেরেছি।
নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পাওয়ার কিছু দিন আগে সাকিবের নেতৃত্বে ধর্মঘটে গিয়েছিল ক্রিকেটাররা। বিসিবি দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসের পর সাকিবের ঘোষণায় মাঠে ফেরেন ক্রিকেটাররা।
অনেকে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার পেছনে বিসিবির হাত দেখছেন। সরাসরি না বললেও এই ঘটনায় যে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো হাত নেই তা স্পষ্ট করেছেন সাকিব।
আমি আমার সব সমর্থককে যারা আমার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ আমি তাদের শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি।
আমি আপনাদের এটা পরিষ্কার করতে চাই যে, আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের গোটা তদন্ত ছিল গোপনীয়। নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার অল্প কিছু দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এটা আমার কাছ থেকে জানতে পারে।
চারপাশে অনেক কথা হচ্ছে। সে সবে মন দিতে মানা সাকিবের। স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কঠিন সময় পার করে আগামী বছর ফিরতে চান মাঠে। খেলতে চান লাল সবুজ জার্সি পরে।
আমি বুঝতে পারছি, কেন অনেক মানুষ আমাকে সহায়তার প্রস্তাব দিচ্ছে। আমি এটা খুব অ্যাপ্রিশিয়েট করছি। যাই হোক, এখানে একটি প্রক্রিয়া আছে। আমি আমার ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছি কারণ, আমি মনে করি এটাই ছিল সঠিক কাজ।
এখন আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ ক্রিকেট মাঠে ফেরা ও ২০২০ সালে বাংলাদেশের হয়ে খেলার দিকে নিবন্ধ। এর আগ পর্যন্ত আপনারা আমাকে আপনাদের প্রার্থনা ও হৃদয়ে রাখুন।
সাকিবকে মোট দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত। প্রথম এক বছরে নতুন করে কোনো আইন না ভাঙলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি থেকে তিনি রেহাই পাবেন। সে ক্ষেত্রে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবরের পর আবার মাঠে ফেরার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার।
সাকিবের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির বলেছেন, এক বছর পর আরও শক্তিশালী হয়ে ২২ গজে ফিরবেন সাকিব। আবার দ্যুতি ছড়াবেন ব্যাট বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*